টানা ৫৯ দিনের ঘুমের রেকর্ড
ঢাকাটাইমস ডেস্ক
১ ২
ঢাকা : টানা ৫৯ দিন ঘুমিয়ে রেকর্ড গড়লেন এক ব্রিটিশ তরুণী। ‘স্লিপ বিউটি’ ডিসঅর্ডারের কারনে তার এই টানা ঘুম বলে ডাক্তাররা জানিয়েছেন। চিকিৎসকরা বলছেন, এটি এক ধরণের রোগ। গোটা পৃথিবীতে এ ধরণের রোগীর সংখ্যা এক হাজার এবং এদের মধ্যে পুরুষের সংখ্যাই বেশি।
এ ধরণের রোগীদের ঘুমের দৈর্ঘ্য কখনো কয়েক দিন আবার কখনো কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত গড়াতে পারে। ঘুমের মধ্যে এর আচরণ ছিল শিশুর মতো। ফলে খাওয়া দাওয়ায় কোনো সমস্যা হয়নি।
ঘুমের মধ্যেই তাকে খাওয়ানো হয়েছে। ২৩ বছর বয়সী মেয়েটি নাম ইমাল ডুপ্রে। লন্ডনের গোল্ডস্মিথ ভার্সিটি থেকে মনোবিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক পাশ এই তরুণী গত বছর ৫৯দিন এই ঘুমানোর কাজটি করেন।
চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে ‘ক্লেইন-লেভিং’ সিনড্রম বলা হয়ে থাকে।
তিনি যখন ঘুমে থাকেন তখন ইমালকে দেখাশোনার কাজটি করেছেন তার মা কেরি গ্রিফিথস ও তার বোন।
তার মা পেশায় একজন শিক্ষক। মা কেরি গ্রিফিথস তার মেয়ে সম্পর্কে বলেন, মাঝে মধে মেয়ে কোথায় থাকে আমরা বুঝে উঠতে পারি না। একেবারেই চাপের মধ্যে সময় কাটে।
২০০৮ সালে প্রথম এই ধরনের অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করেন ইমাল। তখন একটি পারিবারিক উৎসবের পর টানা ১০ দিন ঘুমান ইমাল। এর পর প্রায়ই ঘটতে থাকে এই ঘটনা।
সবচেয়ে বড় কথা হলো, ঘুমের দিন থেকে তার আচরণ অস্বাভাবিক হলেও আত্মবিশ্বাসী ইমাল তার মেধার জোরে লন্ডনের মনোবিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
এখন পর্যন্ত এ রোগের কোনো ঔষধ আবিষ্কার করতে পারেননি চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা। তবে মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, এসব রোগীকে সবসময় চোখে চোখে রাখা আবশ্যক। নতুবা যেকোনো সময় বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে।
(ঢাকাটাইমস/২২সেপ্টেম্ব/এআর/ ঘ.)
YOUTUBE
দখুন একটি কমেডি নাটক। জামাই দাওয়াত
!doctype>
Sunday, September 22, 2013
টানা ৫৯ দিনের ঘুমের রেকর্ড
টানা ৫৯ দিনের ঘুমের রেকর্ড
ঢাকাটাইমস ডেস্ক
১ ২
ঢাকা : টানা ৫৯ দিন ঘুমিয়ে রেকর্ড গড়লেন এক ব্রিটিশ তরুণী। ‘স্লিপ বিউটি’ ডিসঅর্ডারের কারনে তার এই টানা ঘুম বলে ডাক্তাররা জানিয়েছেন। চিকিৎসকরা বলছেন, এটি এক ধরণের রোগ। গোটা পৃথিবীতে এ ধরণের রোগীর সংখ্যা এক হাজার এবং এদের মধ্যে পুরুষের সংখ্যাই বেশি।
এ ধরণের রোগীদের ঘুমের দৈর্ঘ্য কখনো কয়েক দিন আবার কখনো কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত গড়াতে পারে। ঘুমের মধ্যে এর আচরণ ছিল শিশুর মতো। ফলে খাওয়া দাওয়ায় কোনো সমস্যা হয়নি।
ঘুমের মধ্যেই তাকে খাওয়ানো হয়েছে। ২৩ বছর বয়সী মেয়েটি নাম ইমাল ডুপ্রে। লন্ডনের গোল্ডস্মিথ ভার্সিটি থেকে মনোবিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক পাশ এই তরুণী গত বছর ৫৯দিন এই ঘুমানোর কাজটি করেন।
চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে ‘ক্লেইন-লেভিং’ সিনড্রম বলা হয়ে থাকে।
তিনি যখন ঘুমে থাকেন তখন ইমালকে দেখাশোনার কাজটি করেছেন তার মা কেরি গ্রিফিথস ও তার বোন।
তার মা পেশায় একজন শিক্ষক। মা কেরি গ্রিফিথস তার মেয়ে সম্পর্কে বলেন, মাঝে মধে মেয়ে কোথায় থাকে আমরা বুঝে উঠতে পারি না। একেবারেই চাপের মধ্যে সময় কাটে।
২০০৮ সালে প্রথম এই ধরনের অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করেন ইমাল। তখন একটি পারিবারিক উৎসবের পর টানা ১০ দিন ঘুমান ইমাল। এর পর প্রায়ই ঘটতে থাকে এই ঘটনা।
সবচেয়ে বড় কথা হলো, ঘুমের দিন থেকে তার আচরণ অস্বাভাবিক হলেও আত্মবিশ্বাসী ইমাল তার মেধার জোরে লন্ডনের মনোবিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
এখন পর্যন্ত এ রোগের কোনো ঔষধ আবিষ্কার করতে পারেননি চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা। তবে মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, এসব রোগীকে সবসময় চোখে চোখে রাখা আবশ্যক। নতুবা যেকোনো সময় বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে।
(ঢাকাটাইমস/২২সেপ্টেম্ব/এআর/ ঘ.)
Subscribe to:
Post Comments (Atom)




No comments:
Post a Comment