YOUTUBE

দখুন একটি কমেডি নাটক। জামাই দাওয়াত

ইন্টারনেট থেকে তাকা উপার্জন করুন

eid mubarak

ক্লিক করুন আর টাকা উপার্জন করুন

ইন্টারনেট থেকে টাকা উপার্জন

ইন্টারনেট থেকে তাকা উপার্জন করুন

FollowLike Share It

Sunday, August 25, 2013

ভারতে এবার লাশের গাড়িতে নারী পুলিশ গণধর্ষণের শিকার

ইনকিলাব ডেস্ক : ক্রমেই ধর্ষণের দেশে পরিণত হচ্ছে ভারত। মুম্বাইয়ে এক নারী ফটো সাংবাদিককে গণধর্ষণের ঘটনায় যখন ভারতজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে তখনই ঝাড়খন্ড রাজ্যে মাওবাদী গেরিলাদের হামলায় নিহত আত্মীয়ের লাশ নিয়ে ফেরার পথে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক নারী পুলিশ। বৃহস্পতিবার মাওবাদীদের হামলায় নিহত হন পুলিশে কর্মরত ওই নারীর দেবর। তিন আত্মীয়কে সঙ্গে নিয়ে নিহত দেবরের লাশ নিয়ে ফেরার পথে এ হামলার শিকার হন তিনি। ঝাড়খন্ডের রাজধানী রাঁচি থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরে গারওয়াতে গত বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনাটি ঘটে। ভারতের ৭৫ নম্বর ন্যাশনাল হাইওয়েতে লাশবাহী গাড়িটি থামাতে বাধ্য করে তিন ব্যক্তি। তারা কোন ডাকাত চক্রের সদস্য বলে মনে করা হচ্ছে। হামলাকারীরা লাশবাহী গাড়িতেই ধর্ষণ করে ওই নারী পুলিশকে। এছাড়া, তারা ওই পুলিশের দুই আত্মীয়ের মালামাল লুটপাট করেছে। এমন ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটলেও সে সময় রাস্তা দিয়ে চলাচল করা অন্য যানবাহনগুলো ফিরেও চায়নি বলে জানায় সংবাদ মাধ্যমগুলো। ঝাড়খন্ডের লাতেহার জেলা সদর দফতরের ৫ থেকে ৭ কিলোমিটারের মধ্যে এ ঘটনা ঘটেছে। কয়েক বছর আগে মাওবাদী গেরিলাদের হামলায় স্বামী নিহত হওয়ার পর এ নারীকে পুলিশ বাহিনীতে চাকরি দিয়েছিল ঝাড়খন্ডের রাজ্য সরকার। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেবল একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। গতকাল সকাল পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। তবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এদিকে, রাজধানী নয়া দিল্লীতে অপহরণের পর ধর্ষণের শিকার হয়েছে ১৫ বছরের এক কিশোরী। নয়া দিল্লীর সফদরগঞ্জ হাসপাতালের বাইরে থেকে ওই কিশোরীকে তিন ব্যক্তি অপহরণের পর ছত্তরপুরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার রাতেই মুম্বাইয়ে একজন নারী ফটো সাংবাদিককে গণধর্ষণের ঘটনায় ভারতজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় বইছে। অবশ্য এ ঘটনায় ওই সাংবাদিকের আঁকা স্কেচ অনুসারে দু’জনকে আটক করা হয়েছে দাবি করে পুলিশ জানিয়েছে, আটককৃতরা ধর্ষণের স্বীকারোক্তি দিয়েছে। এছাড়া, এ দু’জনকে নিয়ে অপর তিন অভিযুক্তকে আটক করার জন্য জোরালো অভিযান চালানো হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে এনিয়ে বইছে নিন্দার ঝড়। ফেসবুক ও টুইটার ব্যবহারকারীরা বলছেন, দিল্লীর ‘ধর্ষণের রাজধানী’ তকমাটা এখন বৃহৎ পরিসরে ‘ধর্ষণের দেশ’ ভারতের গায়েই লাগতে পারে। নারীদের চলাফেরার জন্য ক্রমেই হুমকি হয়ে ওঠা ভারতের এই অধপতনের জন্য প্রশাসনিক দুর্বলতাকে দুষছেন দেশটির রাজনীতিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। সূত্র: এনডিটিভি, আইআরআইবি

No comments: